ফুটবলের ইতিহাস এবং ইতিহাসের ১০ জন ফুটবল কিংবদন্তি

ফুটবলের ইতিহাস ঃ 

ফুটবলের মতো বল পায়ে ঠেলে খেলার ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি পুরনো। প্রাচীন চীন দেশে ‘জুচু’ (Cuju) নামে এক ধরনের খেলা প্রচলিত ছিল, যা ফুটবলের প্রাচীনতম রূপ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া প্রাচীন গ্রিস ও রোমে সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বল দিয়ে নানা ধরনের খেলা অনুষ্ঠিত হতো। তবে মধ্যযুগে ইংল্যান্ডে ফুটবলের প্রচলন লোকপ্রিয় হলেও তা ছিল বিশৃঙ্খল এবং নির্দিষ্ট কোনো নিয়মকানুনের অধীনে ছিল না। বিভিন্ন এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন নিয়মে খেলা চলত, যার ফলে সর্বজনীন কোনো প্রতিযোগিতা আয়োজন করা কঠিন ছিল।

উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ইংল্যান্ডে আধুনিক ফুটবলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ১৮৬৩ সালের ২৬ অক্টোবর লন্ডনে 'ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন' (FA) গঠিত হয় এবং প্রথমবারের মতো ফুটবলের লিখিত ও সর্বজনীন নিয়মকানুন প্রণয়ন করা হয়। এর মাধ্যমে হাত দিয়ে বল স্পর্শ করার নিয়ম বন্ধ করে কেবল পা দিয়ে খেলার বিধান তৈরি হয়। পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে ফ্রান্সে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা 'ফিফা' (FIFA) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর খেলাটি বিশ্বজুড়ে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর রূপ পায়। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে আয়োজিত হয় ইতিহাসের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

সময়ের পরিক্রমায় ফুটবল বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী খেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ থেকে শুরু করে ল্যাটিন আমেরিকা—বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই এই খেলার আমেজ ও উন্মাদনা রয়েছে। ক্লাব ফুটবল, যেমন—ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, প্রিমিয়ার লিগ ও লা লিগার মতো লিগগুলো ফুটবলের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত মানকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছে। পেলে, ম্যারাডোনা থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের মেসি, রোনালদো ও এমবাপ্পের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের অসাধারণ শৈলী এই খেলাকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিনোদন ও সংস্কৃতির অংশে পরিণত করেছে।


ইতিহাসের ১০ জন ফুটবল কিংবদন্তি ঃ



পেলে (Pele) ঃ

এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, যিনি বিশ্বজুড়ে 'পেলে' নামে পরিচিত, ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং প্রভাবশালী খেলোয়াড়। ব্রাজিলের হয়ে তিনি ১৯৫৮, ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সালের তিনটি ফিফা বিশ্বকাপ জয় করেন, যা একজন খেলোয়াড় হিসেবে অনন্য এক ইতিহাস। চমৎকার ড্রিবলিং, ক্ষিপ্র গতি, নিখুঁত ফিনিশিং এবং অনন্য কৌশলপরায়ণতার জন্য ফুটবল বিশ্ব তাকে ‘ফুটবলের রাজা’ (King of Football) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নিজের ক্যারিয়ারে এক হাজারেরও বেশি গোল করা পেলে বিশ্বজুড়ে ফুটবলকে জনপ্রিয় খেলার শীর্ষে নিয়ে যেতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন। ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করলেও বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে তার স্মৃতি ও অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

দিয়েগো ম্যারাডোনা (Diego Maradona) ঃ

দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সর্বকালের সেরা ও প্রভাব বিস্তারকারী খেলোয়াড়। আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি ফুটবলার তার অসাধারণ ড্রিবলিং, বলের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ এবং অলৌকিক খেলার শৈলী দিয়ে বিশ্বজয়ের রূপকার হয়েছিলেন। ১৯৮৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে মেক্সিকোর মাটিতে প্রায় একাই তিনি আর্জেন্টিনাকে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই আসরে তার দেওয়া 'হ্যান্ড অব গড' এবং শতাব্দীর সেরা গোল (Goal of the Century) হিসেবে স্বীকৃত একক ড্রিবলিংয়ের গোলটি ফুটবলের ইতিহাসে অমলিন হয়ে রয়েছে। ক্লাব ফুটবলে ইতালির নাপোলিকে একক পারফরম্যান্সে ঐতিহাসিক সাফল্য এনে দেওয়া ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর পরলোকগমন করেন, কিন্তু বিশ্বজুড়ে লক্ষ কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে তার নাম চিরভাস্বর হয়ে আছে।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (Cristiano Ronaldo) ঃ

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সর্বকালের সেরা ও গোলমেশিন হিসেবে খ্যাত। পর্তুগালের এই মহাতারকা তার অবিশ্বাস্য গোল করার ক্ষমতা, শারীরিক সক্ষমতা, নিখুঁত পজিশনিং এবং দূরপাল্লার শটের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবল এবং পেশাদার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ গোলদাতার বিশ্বরেকর্ডের মালিক। রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ইউভেন্টাসের মতো বিশ্বের শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে তিনি পাঁচটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ২০১৬ সালে পর্তুগালকে প্রথম বড় কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি (ইউরো কাপ) এনে দিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। তার কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা ও জয়ী হওয়ার মানসিকতা তাকে তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের কাছে এক অনন্য অনুপ্রেরণা বানিয়ে রেখেছে।

লিওনেল মেসি (Lionel Messi) ঃ

লিওনেল মেসি আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সর্বকালের সেরা ও জাদুকরী খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃত। আর্জেন্টিনার এই মহাতারকা তার অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং, দূরদর্শী পাসিং, নিখুঁত প্লেমেকিং এবং অনন্য গোল করার দক্ষতার জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী মেসি পেশাদার ক্যারিয়ারে বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছেন এবং ক্লাবের ইতিহাসে অসংখ্য ট্রফি ও রেকর্ড গড়েছেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি ২০২১ সালে আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে স্মরণীয় পারফরম্যান্সের মাধ্যমে স্বপ্নের বিশ্বমুকুট এনে দেন। ফুটবলের প্রায় সব প্রধান ট্রফি ও ব্যক্তিগত সম্মাননা জেতা মেসি তার অসাধারণ নম্রতা ও খেলার শৈলী দিয়ে গোটা বিশ্বকে মুগ্ধ করে রেখেছেন।

রোনালদিনহো (Ronaldinho) ঃ

রোনালদিনহো গাউচো ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম নিখুঁত বিনোদনদাতা ও জাদুকরী খেলোয়াড়। ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার তার মুখে সর্বদা লেগে থাকা হাসি, অবিশ্বাস্য ড্রিবলিং, অসাধারণ 'নো-লুক পাস' এবং শূন্যে বল ভাসিয়ে নেওয়া চোখধাঁধানো সব ট্রিকের জন্য বিশ্বজুড়ে নন্দিত। ২০০২ সালে ব্রাজিলের পঞ্চম ফিফা বিশ্বকাপ জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে খেলে তিনি ক্যারিয়ারের সোনালী সময় পার করেন, যেখানে জিতেন ব্যালন ডি’অর এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এমনকি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রতিপক্ষের সমর্থকদের কাছ থেকে দাঁড়িয়ে তালি (Standing Ovation) পাওয়ার মতো বিরল সম্মানের অধিকারী হন তিনি। ফুটবলকে কেবলমাত্র একটি ম্যাচ নয়, বরং আনন্দময় শিল্পে রূপ দেওয়ার জন্য রোনালদিনহো চিরকাল ফুটবলপ্রেমীদের মনে অমলিন থাকবেন।

জিনেদিন জিদান (Zinedine Zidane) ঃ

জিনেদিন জিদান ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সর্বকালের সেরা মিডফিল্ডার ও মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচিত। ফ্রান্সের এই কিংবদন্তি খেলোয়াড় তার অসাধারণ গেম ভিশন, নিখুঁত ফার্স্ট টাচ, বলের ওপর আশ্চর্য নিয়ন্ত্রণ এবং নান্দনিক খেলার শৈলীর জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। ১৯৯৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে জোড়া গোল করে ফ্রান্সকে প্রথমবার বিশ্বকাপ জেতান এবং ২০০৬ বিশ্বকাপেও দলকে ফাইনালে তুলতে দুর্দান্ত ভূমিকা রাখেন। ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০০২ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তার দেওয়া অবিশ্বাস্য ভলি গোলটি ফুটবলের ইতিহাসের সেরা গোলগুলোর একটি। ফুটবলার হিসেবে ১৯৯৮ সালে ব্যালন ডি’অর ও তিনবার ফিফা বর্ষসেরা হওয়া জিদান পরবর্তীতে কোচ হিসেবেও রিয়াল মাদ্রিদকে পরপর তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতিয়ে অনন্য ইতিহাস গড়েছেন।

নেইমার জুনিয়র (Neymar Jr) ঃ

নেইমার দা সিলভা সান্টোস জুনিয়র আধুনিক ফুটবলের অন্যতম প্রানবন্ত, নিখুঁত ড্রিবলার ও বিনোদনদায়ী খেলোয়াড়। ব্রাজিলের এই পোস্টার বয় তার চোখধাঁধানো ড্রিবলিং, অসাধারণ গতি, দুই পায়ে সমান দক্ষতায় শট এবং সৃষ্টিশীল পাসিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়। সান্তোসে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করে ইউরোপিয়ান ফুটবলে বার্সেলোনার হয়ে মেসি ও সুয়ারেজের সাথে গড়ে তোলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা আক্রমণভাগ 'MSN'। বার্সেলোনার হয়ে তিনি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ট্রেবল জয়ের স্বাদ পান। এরপর রেকর্ড ট্রান্সফার ফি-তে পিএসজিতে যোগ দিয়ে ফ্রান্সে একের পর এক শিরোপা জিতেন। ব্রাজিলের জাতীয় দলের হয়ে দেশের ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রাজিলকে ঐতিহাসিক প্রথম স্বর্ণপদক এনে দিতে অধিনায়কের ভূমিকা পালন করেন। ফুটবল মাঠে তার নান্দনিক কৌশল ও খেলার আনন্দময় শৈলী সবসময়ই দর্শক ও ভক্তদের বিমোহিত করে।

কিলিয়ান এমবাপ্পে (Kylian Mbappé) ঃ

কিলিয়ান এমবাপ্পে আধুনিক বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বিধ্বংসী, গতিশীল ও বিশ্বসেরা তরুণ তারকা। ফ্রান্সের এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড় তার পরাবাস্তব গতি, চমৎকার ড্রিবলিং এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। মাত্র ১৯ বছর বয়সে ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ শিরোপা জেতাতে প্রধান ভূমিকা পালন করেন তিনি। এছাড়া ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক করে জিতে নেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর (PSG) হয়ে রেকর্ড পরিমাণ গোল ও অসংখ্য শিরোপা জিতার পর তিনি বর্তমানে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে খেলছেন। কম বয়সে অর্জিত সাফল্য ও মাঠে তার অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স তাকে ভবিষ্যৎ ফুটবলের প্রধান কাণ্ডারি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

হ্যারি কেইন (Harry Kane) ঃ

হ্যারি কেইন আধুনিক বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য ক্লাসিক্যাল স্ট্রাইকার। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের এই অধিনায়ক তার দূরপাল্লার নিখুঁত শট, চমৎকার ফিনিশিং, পেনাল্টি শুটআউটে কার্যকারিতা এবং আক্রমণভাগ থেকে নিচে নেমে প্লেমেকিং করার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য পরিচিত। ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে বছরের পর বছর রেকর্ড পরিমাণ গোল করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়ান তিনি। ২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬টি গোল করে জিতে নেন ‘গোল্ডেন বুট’। ক্লাব ফুটবলে জার্মানির বিখ্যাত ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়েও তিনি তার অবিশ্বাস্য গোল করার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন। শান্ত মেজাজ, নেতৃত্ব গুণ এবং অসাধারণ পেশাদারিত্বের কারণে তিনি ইংল্যান্ড ও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বিশ্বস্ত মুখ।

আর্লিং হালান্দ (Erling Haaland) ঃ

আর্লিং হালান্দ আধুনিক বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ভয়ংকর, পরাক্রমশালী ও বিধ্বংসী গোলমেশিন। নরওয়ের এই তরুণ স্ট্রাইকার তার বিশাল শারীরিক শক্তি, অবিশ্বাস্য গতি, নিখুঁত পজিশনিং এবং দূরপাল্লার থেকে শুরু করে যেকোনো পজিশন থেকে গোল করার অদ্ভুত দক্ষতার জন্য পরিচিত। ইংলিশ ক্লাসিক ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম মৌসুমেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের অল-টাইম রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি এবং ক্লাবের হয়ে ঐতিহাসিক 'ট্রেবল' (প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ) জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন। যেকোনো শক্তিশালী রক্ষণভাগকে মুহূর্তে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতার কারণে তাকে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম ভবিষ্যৎ সুপারস্টার ও সেরা ফিনিশার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
head 1 head 2 head 3 head 4
row1 col 1 row1 col 2 row1 col 3 row1 col 4
row2 col 1 row2 col 2 row2 col 3 row2 col 4
row3 col 1 row3 col 2 row3 col 3 row3 col 4
row4 col 1 row4 col 2 row4 col 3 row4 col 4
row5 col 1 row5 col 2 row5 col 3 row5 col 4
row6 col 1 row6 col 2 row6 col 3 row6 col 4
row7 col 1 row7 col 2 row7 col 3 row7 col 4
row8 col 1 row8 col 2 row8 col 3 row8 col 4
row9 col 1 row9 col 2 row9 col 3 row9 col 4
row10 col 1 row10 col 2 row10 col 3 row10 col 4

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

SAROWAR365-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url